Blog Archive

Thursday, December 24, 2009

২৫শে ডিসেম্বর












আজ ২৫শে ডিসেম্বর, সকলকে অনেক শুভেচ্ছা।

২৫শে ডিসেম্বর! দিনটা এলে এখনও মনটা আনন্দে ভরে ওঠে। আমার টিনএজ়ে এদিনটি ছিল আমর কাছে খুবই স্পেশাল। কোন একদিন কোন এক কারণে দুঃখ করি যে আমার জন্মে কেউ খুশি নয়। তাতে পাপা বলেছিলেন কে বলে সে কথা! তোমার জন্মদিনে সারা পৃথিবী আনন্দে মেতে ওঠে। এই ২৫শে ডিসেম্বরই আমার জন্মদিন-এই ভেবে খুব গর্ব হত -যিশুর সাথে আমার জন্ম! যেহেতু আমাদের পরিবারে জন্মদিনের পাঠ নেই, তাই সে দুঃখও ভুলতাম সবাই নিজেরাই আনন্দে কেক খাচ্ছে – এই ভেবে।

সে সময় একলা থাকলেও আমার নিজস্ব একটা জগৎ ছিল। এদিন সে জগতে সাজ সাজ রব! সবার প্রথমে তিন-চারদিন ধরে আমার ছোটবেলার একটিমাত্র আমার অর্ধেক, চোখ পিট্‌পিট্‌ করা রাজপুত্র পুতুল ছিল। সেটিকে তুলো, গদের আঠা আর লাল ভেল্‌ভেট পেপারে সান্টাক্লজ সাজাতাম। তার জন্য একটা টেবিল সাজান হত। সেখানে ভাসা ভাসা চোখে মুচকি হেসে যিশুও থাকতেন। চারদিক ছোট টুনিবাল্বে ঘেরা হত। আমার ছোট্টঘরে সন্ধে হলেই বড় আলো নিভিয়ে মোমের মিঠে আলো জ্বলে উঠত। কেক আর চকলেটের ভেতর আমার সান্টা আর যিশুকে দেখে আনন্দে মন ভরে উঠত। সে সময় হয়ত পাপা টুক্‌ করে একটু উঁকি মেরে মুচকি হেসে চলে যেতেন। আর রাতে মশারিতে মোজাও টাঙাতাম! খুব ছোটতে না বুঝলেও পরে ঠিকই যানতাম পাপাই আমার সান্টা হয়ে সে ঝুলি ভরবেন। তবু খুব খুব ভাল লাগতো।

আজও তেমনি কত শিশু নিজেদের মত করে আনন্দে মেতে উঠেছে দেখে খুব ভাল লাগছে।

যিশুর সেই ভালবাসায় পৃথিবী ভরে উঠুক। আমরা সবাই এই ধরিত্রী মাতাকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলি।।



Wednesday, December 9, 2009

আমার দেখা সেরা জুটি



আমার দেখা খুব সুন্দর জুটি এরা। প্রায় একবছর আগে নিয়মিত সকালে আমাদের উল্টোদিকের বাড়িতে আসত। তারপর বহুদিন পাশে নতুন বাড়ি হওয়ায় এরা আর আসছিল না। এখন নতুন বাড়ি প্রায় শেষ, হট্টগোলও নেই। তাই দুটি আবার এসেছে বিশ্রাম নিতে। ওদের দেখে খুব খুব ভাল লাগছে। যেন কতদিনের চেনা!



Run To You - Live at Slane Castle, Ireland.mp3

Followers